নূরানী পদ্ধতী .....................

‘‘নূরানী পদ্ধতী” “আমি কুরআন মাজীদ সহজ করিয়া দিয়াছি উপদেশ গ্রহনের জন্য, অতএব উপদেশ গ্রহণ কারী কেহ আছো কি ?” বিশ্ব মানবের প্রতি মহান আল্লাহর দরদমাখা এই আহ্বানে সাড়া দেয়ার এক অদম্য প্রচেষ্টার নাম হচ্ছে ‘নূরানী পদ্ধতি’। এ পদ্ধতি বাংলাদেশ সহ বিশ্ব মুসলমানের জন্য জরুরী দীনশিক্ষা ও পবিত্র কুরআন মাজীদ তিলাওয়াত শেখার এক অলৌকিক দুয়ার খুলে দিয়েছে। ষাটের দশকের শুরু হতে নূরানী পদ্ধতির আবিষ্কারক “ শাইখুল কুরআন আল্লামা কারী বেলায়েত হুসাইন (রহ.)”, মহান আল্লাহর উপরোক্ত ঘোষনা কে সামনে রেখে সহজ পন্থায় পবিত্র কুরআনের তিলাওয়াত শেখার উপর গবেষনা শুরুকরেন তাঁর সুদীর্ঘ ৬০ বৎসরের অধীককাল অক্লান্ত পরিশ্রম কুরআনের প্রতি একনিষ্ঠতা ইখলাস ও দোয়ার বরকতে জরুরী দীন ও সহজ পন্থায় পবিত্র কুরআন শিক্ষার এক বরকতময় পদ্ধতি লাভ করেন। যা আজ নূরানী পদ্ধতি নামে পরিচিত। নূরানী পদ্ধতি কুরআন শিক্ষা পদ্ধতির পাশা পাশি বাংলা, অংক, ইংরেজী তথা জেনারেল শিক্ষার সমন্ময় সাধন করে শিশু শিক্ষায় সময়ের শ্রেষ্ঠ অবদান রেখে চলছে, এ পদ্ধতিকে আরো যুগোপযোগী করা হয়েছে। যার ফলে সর্ব সাধারনের মাঝে ব্যাপক ভাবে গ্রহণ যোগ্যতালাভ করে, বর্তমানে তিন বৎসরের সিলেবাসে নূরানী পদ্ধতিতে পড়ালেখা করে একটি শিশু মাদ্রাসা ও স্কুলের যে কোন ধারার শিক্ষা ব্যবস্থায় ৪র্থ শ্রেণি, হিফজ বিভাগ সহ সমমানের যে কোন প্রতিষ্ঠানে ভর্তির যোগ্যতা অর্জন করে,